হিমাচল প্রদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সরকার একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সুখ আমির সিং সুখুর নেতৃত্বাধীন সরকার বহিরাগতদের রাজ্যে প্রবেশকারীদের কাছ থেকে ভারী প্রবেশ ফি ধার্য করেছে। নতুন নথি ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।
রাজ্যের নতুন বাধা নীতি জারি করে সরকার বৈদেশিক কর প্রায় তিন গুণ কমিয়েছে। এটি সরাসরি প্রভাবিত করে যারা হিমাচলে তাদের গাছপালা বা বাণিজ্যিক সম্প্রদায় নিয়ে প্রবেশ করে। যাইহোক, হিমাচল রেজিস্ট্রি সহ গ্রুপগুলিকে আগের মতো প্রবেশ ফি প্রদান থেকে ছাড় দেওয়া হবে।
সন্ত্রস্ত আপফ্রন্ট ফি?
নতুন সমীক্ষা অনুসারে, বাইরের রাজ্য থেকে আসা সাধারণ সম্প্রদায়কে এখন 170 কোটি রুপি প্রবেশ ফি দিতে হবে। আগে এই পরিমাণ ছিল 70 টাকা। মানে প্রায় দ্রুত গতি। আগে 12+1 রাইডারশিপ সহ একটি কমপ্লেক্সের ভাড়া ছিল 110 টাকা, এখন তাও 170 টাকা। ভারী সম্প্রদায়ের উপরও বোঝা চাপানো হয়েছে। আগে যেখানে প্রবেশ কর ছিল 720 টাকা, এখন তা হবে 900 টাকা। আগে নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত যুক্তিবিদ্যা ও অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতির ফি ছিল 570 টাকা, যা কমিয়ে 800 টাকা করা হয়েছে। প্রবেশ ফি 70 টাকা থেকে বাড়িয়ে 100 টাকা করা হয়েছে। মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে 570 টাকা এবং ডাবল বাসের জন্য 570 টাকা। এই বিভাগে কোন পরিবর্তন হয়নি। সরকারের যুক্তি, বিভিন্ন স্থানের সমাজের প্রকৃতি ও ব্যবহারের ভিত্তিতে নির্মাতা নির্ধারণ করা হয়েছে।
55 এন্ট্রি বাধা প্রয়োগ করা হয়েছে সুরেলা নতুন কাঠামো
রাজ্যে মোট 55টি প্রবেশ বাধা রয়েছে, যেখান থেকে বাইরের রাজ্যগুলি থেকে যান হিমাচল প্রবেশ করে। প্রধান বাধাগুলি সিরমাউরের গোবিন্দঘাট, নুরপুরের কান্দওয়াল, উনার মেহতপুর, বাদ্দি, পারওয়ানু এবং বিলাসপুর জেলার গ্রামোরার কাছে অবস্থিত। নতুন অনুমতি 1লা এপ্রিল থেকে এই সমস্ত বাধাগুলির উপর প্রযোজ্য হবে। সরকার এই বাধাগুলিতে ফাস্ট্যাগ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের প্রস্তুতিও শুরু করেছে, যাতে চার্জিংয়ের উন্নতি এবং গতি অব্যাহত থাকে। সোসাইটি অফ ব্যারিয়ারসের জন্য ভ্লাদিমির (ডিসি) একটি কমিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যার মধ্যে সরঞ্জাম এবং কর বিভাগের কর্মকর্তারাও সদস্য হবেন। এই কমিটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মনিটরিং বডি।
বর্তমানে গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশের ওপর মারাত্মক আর্থিক চাপ রয়েছে। রাজস্ব আদায় কমে যাওয়া এবং ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সরকারের ওপর সম্পদের চাপ বেড়েছে। বেতন, পেনশন ও উন্নয়ন ব্যবস্থার জন্য তহবিলের চাহিদার কথা মাথায় রেখে সরকার প্রতিনিয়ত আয় বৃদ্ধির বিকল্প খুঁজছিল। রাজ্য সরকার বিশ্বাস করে যে প্রাথমিক করের সংশোধন অতিরিক্ত রাজস্ব তৈরি করবে, যা আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করবে। পর্যটন এবং ব্যবসায়িক উদ্যোগের সাথে জড়িত গোষ্ঠীর সংখ্যা বিবেচনা করে, এই পদক্ষেপটি আয়ের একটি স্থিতিশীল উত্স হতে পারে।
পর্যটনের উপর প্রভাব
হিমাচল প্রদেশ দেশের প্রধান পর্যটন গন্তব্যগুলির মধ্যে পরিচিত। প্রতি বছর লক্ষাধিক পর্যটক তাদের ব্যক্তিগত বিমানে করে এখানে আসেন। এমতাবস্থায় এন্ট্রি ফি বৃদ্ধির প্রভাব পড়তে পারে পর্যটন খাতে। যদিও কর্মকর্তারা বলছেন যে 170 টাকার পরিমাণকে খুব বড় বলে মনে করা হয় না, তবে খরচের আঠালোতা এবং অন্যান্য খরচের মধ্যে এটি একটি অতিরিক্ত বোঝা। সরকারের ভারসাম্য মূল্যায়ন করা উচিত বলে মনে করেন পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা। তিনি বলেছেন যে গ্লোবালের উপর আরও আর্থিক চাপ দেওয়া হলে প্রতিবেশী রাজ্যগুলির দিকে প্রবণতা বাড়তে পারে। তবে এই পরিবহন পর্যটনে কতটা প্রভাব ফেলবে তা এখনো বলা যাচ্ছে না।
—- শেষ —-